ইশরাক নামাজ পড়ার নিয়ম ও কখন পড়বেন সময় জেনে নিন



ইশরাকের নামাজ

 اشراق ইশরাকের নামায অর্থ হলো উদয় হওয়া , উজ্জ্বল হওয়া । “ পবিত্র কুরআনুল কারীমে ” ইশরাক শব্দটির উল্লেখ রয়েছে ।

আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন

واذكر عبدنا داؤود ذا الأيد إنه أواب - إنّا سخرنا الجبال معه يشبخن بالعشي والإشراق

আর স্মরণ করুন আমার বান্দা দাউদের কথা । যিনি ছিলেন খুব শক্তিশালি এবং যিনি ছিলেন অতিশয় আল্লাহ অভিমুখী । আমি পর্বত মালাকে অনুগত করে দিয়েছিলাম । তার সাথে তারা সকাল সন্ধ্যায় আমার তাসবীহ পাঠ করতো ।

আলোচ্য আয়াতে ইশরাক বলতে সকাল বেলাকে বুঝানো হয়েছে।

ইশরাক নামাজের সময়

সুর্যোদয়ের কিছুক্ষণ পরেই ইশরাকের সময় হয় । শামী কিতাবে লিখিত আছে সূর্য ১ নেজা বা ২ নেজা উঠলে ইশরাকের নামায পড়বে । এ নেজার ৬ হাতের কথা উল্লেখ করা হয়েছে ।

মালাবুদ্দা মিনহু কিতাবে নিম্নের হাদীসে উল্লেখ রয়েছে

عن ابي هريرة ( رض ) قال قال رسول الله صلى الله علي وسلم - من صلى الفجر في جماعة ثم قعد يذكر الله حتى تطلع الشمس ، ثم صلى ركعتين كانت له كأجر حجة وعمرة تامة تامة تامة . رواه الترمدي .

 হযরত আবু হুরায়রা রা . থেকে বর্ণিত , রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন , যে ব্যক্তি জামাতের সাথে ফজরের নামাজ আদায় করল অতঃপর বসে পড়ল এবং সূর্য উঠা পর্যন্ত আল্লাহ তায়ালার জিকিরে মশগুল হলো , অতঃপর দুই রাকাত নামাজ আদায় করলো , এই নামাজ তার জন্য একটি পূর্ণ হজ্জ ও একটি পূর্ণ ওমরার সওয়াব বয়ে আনবে । (কানযুল উম্মাল ৭/৮০৮ । হা . নং -২১৫০৯)।

 হাদীসে কুদসীতে আছে , আল্লাহ পাক বলেন ; যদি ঐ ব্যক্তি চার রাকাত ইশরাকের নামাজ পড়ে তাহলে আমি তার সারা দিনের সাহায্যকারী হয়ে যাই ( তিরমিজি শরীফ , অজিফায়ে সালেহীন (পৃ : -১৭৭)