ওমরী কাযা জীবনে হাজারো ফরজ নামাজ ছুটে গেছে? এখন আফসোস হচ্ছে? তাহলে এই নামাজটি পড়ুন



উমরী কাজা আদায়ের বিবরণ

যদি কোন ব্যক্তির সন্দেহ হয় যে , তার বালেগ অবস্থায় নামায কাজা ও ফাসেদ হয়েছে , তবে এ সন্দেহ দূর করার জন্য যে নামায পুনঃপড়া হয় তাকে উমরী কাযা বলা হয় ।

উমরী কাজা নামাজ মুলত নফল । আলমগীরি কিতাবের মর্মে জানা যায় , হাদীস শরীফে এশরাক , চাশত , আউয়াবীন ইত্যাদি যে সকল নফল নামাযের বিষয় বর্ণিত হয়েছে , সে সকল নফল ব্যতীত অন্যান্য নফল পড়ার চেয়ে উমরী কাজার নিয়ত করত পিছনের ফরজ ও ওয়াজিব নামাজ আদায় করা উত্তম । সুন্নতের কাজা পড়তে হবে না কাজা নামায নিজ ঘরে পড়া ভাল ।

আলমগীরি কিতাবে কাজার বয়ানে লিখিত আছে , বেতের নামাযের উমরী কাজা আদায় কালে তিন রাকয়াত যথারীতি পড়ে শেষ রাকয়াতে ' সালাম না ফিরায়ে উঠে যাবে এবং সুরা ফাতিহা ও তৎ সঙ্গে যে কোন সূরা পড়ে রুকু সিজদাহ করে শেষ বৈঠকে তাশাহুদ ও দরূদ শরীফ ইত্যাদি পাঠ করতঃ সালাম ফিরায়ে নামায শেষ করবে । উল্লেখ্য যে , ওমরী কাজা নামাযের প্রত্যেক রাকয়াতে সূরা ফাতিহার সাথে অন্য সূরা মিলাতে হবে ।

দুররুল মুখতার কিতাবে (১ ম খণ্ড) আছে মাগরিবের নামাযেও এরূপ তিন রাকয়াত পড়ে সালাম না ফিরায়ে দাড়িয়ে যাবে এবং সূরা ফাতিহা ও যে কোন সূরা মিলায়ে যথারীতি বাকী এক রাকয়াত আদায় করে সালাম ফিরাবে ।

উল্লেখ্য যে , যদি কারো জানা থাকে যে অতীত জীবনের বহু নামায সে পড়েনি ধারাবাহিক রূপে হোক বা মাঝে মধ্যে হোক , তা হলে এ সকল নামাযের কাজাকে উমরী কাজা বলা যাবে না । ঐ সকল পরিত্যক্ত নামাযের কাজা করা ফরজ । সে ক্ষেত্রে যে নামাজ যে কয় রাকয়াতের সে ভাবে কাজা করতে হবে । ( ফিকহের যাবতীয় কিতাব )

মনে রাখতে হবে,ওয়াক্ত মত নামাজ পড়া আর কাযা পড়ার মাঝে অনেক পার্থক্য আছে। উমরো কাযা করে এটা ভাবলে জবে না যে আমার সব নামাজ আদায় হয়ে গেছে। উমরী কাযা করবো তার সাথে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবো তিনি যেনো উমরী কাযার ইচিলায় পিছনের নামাজের গুনাহ গুলো ক্ষমা করে দেয়।