ইসলামে সাংবাদিকতা



 ইসলামে সাংবাদিকতা 

সাংবাদিকতা ইসলামের বিধান মতে একটি মহান পেশা । সাংবাদিকগণ সমাজ ও রাষ্ট্রের দর্পন । তারা দেশের জাগ্রত বিবেক । সংবাদপত্র সাংবাদিকগণ জনমত গড়ে তুলতে অতুলোনীয় ভূমিকা পালন করেন । সংবাদপত্র হচ্ছে লোক শিক্ষক । জন কল্যাণের জন্য তা যেন সঠিক ভাবে কাজ করে সেদিকে সাংবাদিকদের আন্তরিক হতে হবে । সাংবাদিকদের প্রধান কাজ বা দায়িত্ব হচ্ছে সত্যের সংরক্ষণ ও বস্তু নিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করা । তাই জ্ঞানী - গুনি , কবি - সাহিত্যেকেরা বলে থাকেন , সাংবাদিকদের মসির ক্ষমতা অসির চেয়েও ধারালো ও শক্তিশালী । অসি বা কলম এমন একটি অস্ত্র যা সর্বাধুনিক মরনাস্ত্রের চেয়েও মারাত্মক । এ কলমের সামান্য দুফোটা কালি পৃথিবীর সমস্ত ধনসম্পদের চেয়েও অধিক মূল্যবান । আর সেই কলম যখন কোনো সাংবাদিকের হাতের অস্ত্র হয় , তখন তার ক্ষমতাও অন্তহীনভাবে বেড়ে যায় । সাংবাদিকগণ দেশের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় অত্যাবশ্যকীয় শ্রেণি । সুতরাং তাদের উচিৎ সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করা । এ নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটলে সংবাদপত্রের চরিত্র নষ্ট হয় । এ ধরনের সাংবাদিকতাকে সাম্প্রতিককালে হলুদ সাংবাদিকতা নামে অভিহিত করা হয় । 

      সমাজে সংবাদ পত্রের জগতে যেমন আছে সৎ নির্ভীক সাংবাদিক , তেমনি আছে অসৎ সাংবাদিক । অথচ ইসলামিক বিধানে নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য সংবাদ পরিবেশনই সংবাদপত্র ও সাংবাদিকগণের প্রধান কর্তব্য।ইসলাম সাংবাদিকতা বিষয়ে গবেষণাকারীরা বলেন , প্রায় চৌদ্দশ বছর আগে সাংবাদিকতা বিষয়ে মহান আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ( সা . ) যে গাইডলাইন দিয়ে গেছেন তা এক কথায় অনন্য । 

       কেননা , ইসলামে সাংবাদিকতা এক ধরণের আমানত । আর এ আমানত হচ্ছে , যে কোন তথ্য ও সরকার সংবাদকে বস্তুনিষ্ঠ ভাবে গনমাধ্যমে তুলে ধরা । নিজস্ব চিন্তা কিংবা দল মতের রংচং মাখিয়ে সংবাদকে আংশিক বা পুরোপুরি পরিবর্তন পরিবর্ধন করে প্রকাশ করা কখনও ইসলাম সমর্থিত নয় । এ স্থানে করণীয় হলো কোনোরূপ সংযোজন বিয়োজন ছাড়াই সংবাদ পরিবেশন করা ও সংবাদের অঙ্গ - সজ্জায় কেবল নিরেট সত্যকেই তুলে ধরা । আর এ বিষয়টির প্রতি গুরুত্বারোপ করে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পবিত্র কুরআনের সূরা আল আহযাব এর ৭০ নং আয়াতে বলেন।

 ياأيها الذين امنوا اتقوا الله وقولوا قولا سديدا

বঙ্গানুবাদঃ হে ঈমানদারগণ ! তোমরা আল্লাহ তালাকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বল।

        এ সম্পর্কে অত্যন্ চমৎকার তিরমিযী ২৬৫৭ নং হাদীছে বর্ণিত হয়েছে- আল্লাহ পাক ঐ ব্যক্তির চেহারাকে উজ্জল করুন ! যিনি আমাদের থেকে যা শুনেছেন তা হুবহু ধারণ করে অন্যের কাছে অবিকল কায়দায় পৌঁছে দিয়েছেন ।

        সংবাদ প্রকাশ ও প্রচারের ক্ষেত্রে আল্লাহর রাসূল (স.) এর এই নির্দেশনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ । মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশের তথ্য যাচাই বাছাই করতে হয় । আর যে খবরটি মিডিয়ায় প্রকাশিত হচ্ছে তা আদৌ সত্য কিনা তা যাচাইয়ের সুস্পষ্ট নিয়মনীতি রয়েছে গণ মাধ্যমে । 

        কোনো ধর্ম ; আদর্শ মতবাদ সভ্যতাই মানষকে মিথ্যাবাদী হতে শিখায় না । ইসলামও এর ব্যতিক্রম নয় । ইসলামে মিথ্যা বলা মহা পাপ । রাসূল ( স . ) বলেন আমি কি তোমাদেরকে কবীরা গুনাহ সম্পর্কে অবহিত করব না ? কথাটি তিনি ৩ বার বলেছেন , সাহাবায়ে কেরাম ( রা . ) বলেন , হে আল্লাহর রাসূল ( স . ) , হ্যাঁ অবশ্যই অবহিত করুন । " তিনি তখন বলেন- আল্লাহর সাথে কাউকে অংশিদার সাব্যস্থ করা এবং মা বাবার অবাধ্য হওয়া । তারপর নবী (সা.) বললেন- মিথ্যা স্বাক্ষী দেওয়া ও মিথ্যা সংবাদ প্রচার করা ।

(সহীহ্ বোখারী শরীফ) 

সুতরাং সংবাদের তথ্য যাচাই ও সত্যতা নিরুপন করা সাংবাদিকদের অপরিহার্য কর্তব্য । এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনেও রয়েছে চমৎকার দিক নির্দেশনা । এ সম্পর্কে আল্লাহ পাক সূরা আল হুজরাত ৬ নং আয়াতে এরশাদ করেন ।

 يا أيها الذين آمنوا إن جاءكم فاسق بنبإ فتبينوا أن تصيبوا قوما بجهالة فتصبحوا على ما فعلتم نادمين

বঙ্গানুবাদ: হে ঈমানদারগণ ! তোমাদের কাছে যদি কোন পাপাচারী ব্যক্তি সংবাদ নিয়ে আসে , তবে তোমরা তা যাচাই - বাছাই করে নাও । যাতে তোমরা অজ্ঞতা বশত : কোনো সম্প্রদায়ের ক্ষতি সাধনে প্রবৃত্ত না হও । এবং পরে যাতে নিজেদের কৃতকর্মের জন্য তোমাদের অনুতপ্ত না হতে হয় । 

সাংবাদিকতার জন্য পবিত্র কোরআনের এই আয়াতটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ । সংবাদকর্মীরা যদি কোনো তথ্য সঠিকভাবে যাচাই - বাছাই না করে গণমাধ্যমে প্রচার করে দেয় তাহলে সমাজ ও রাষ্ট্রে বিশৃংখলা সৃষ্টি হতে পারে । যার মাসুল ঐ সংবাদকর্মী দিতে পারবে না । এ কারনেই আল্লাহ পাক সংবাদের বস্তুনিষ্টতা যাচাই না করে সংবাদ গ্রহণ ও পরিবেশন করতে নিষেধ করেছেন । অনেক সাংবাদিক , রির্পোটার বা সংবাদপত্র প্রতিনিধি , তারা লোক মুখে যা শুনেন তাই নির্বিচারে মিডিয়ায় প্রচার করে দেন । এটিও ইসলামে নিষিদ্ধ । 

আল্লাহর রাসূল ( সা . ) বলেন , আবু দাউদ হাদীস শরীফের ৪৯৯২ হাদীসে- “ একজন ব্যক্তি মিথ্যুক হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে , সে যা শুনে তাই বলে বেড়ায় । 

         তাই সততা ও বিশ্বস্ততা একজন সাংবাদিকের বড় গুন । অসৎ লোককে কেউ বিশ্বাস করে না । অনেক যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকলেও অসত্যতার কারণে একজন সাংবাদিকের অর্জিত সব সম্মান ধূলায় মিশে যেতে পারে। 

         সাংবাদিকের নিত্য দিনের কর্ম বা পথ হচ্ছে লোভ ও প্রলোভনের পিচ্ছিল পথ । সেই প্রলোভনকে দূর করতে না পারলে কোনো সাংবাদিকের পক্ষে দেশ ও সমাজের জন্য যথাযথ দায়িত্ব পালন অর্থহীন।

         সাংবাদিকের হাতে কলম আছে বলেই তারা সত্যকে মিথ্যা আর মিথ্যাকে সত্য বলতে পারেন না । এমনটি সুস্থ্য সাংবাদিকতার পরিপন্থি । এটা অন্যায়ও বটে । মাঝে মধ্যে কিছু সাংবাদিক মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার করে সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করে । লোভে পরে অন্যায় অনাচারকে সমর্থন করছে । ইসলাম এ ধরনের ন্যাক্কারজনক কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য বিশেষ নির্দেশ প্রদান করেছে । নিষেধ করা হয়েছে কু - প্রবৃত্তির অনুসারী হওয়ার । ইসলাম বলেছেন , মানব কল্যাণের জন্য সত্য সংবাদ পৌঁছে দিতে । তাই সংবাদ সংগ্রহকালে সংবাদকর্মীকে তার চোখ , কান , বিবেক খোলা রাখতে হবে । 

         ব্যক্তি বা দলীয় স্বার্থ বিবেচনা করে অনেক সাংবাদিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেন । শোনা যায় , নিউজ রুমে অনেক নিউজ কিল করা হয় । এমনটি কখনও কাম্য নয় । সত্যকে মিথ্যা ও মিথ্যাকে সত্য বানানোর চেষ্টা ইসলাম পাপ হিসাবে গণ্য করে । 

আল্লাহ পাক সূরা বাকারার ২৮৩ নং আয়াতে বলেন  

    ولا تكتموا الشهادة ومن يكتنها فإنه آثم قلبه 

বঙ্গানুবাদঃ তোমরা সত্য গোপন করোনা । আর যে ব্যক্তি তা গোপন করে , অবশ্যই তার অন্তর পাপী । 

অতএব জনস্বার্থে প্রকৃত তথ্য গোপন না করে তা প্রকাশ করা উচিত । অতএব , ব্যক্তিগত আক্রোশে কাউকে হেয় করার মানসে কারো একান্ত ব্যক্তিগত তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরা ইসলামের দৃষ্টিতে খুবই অন্যায় কাজ । আল্লাহ পাক বলেন

 ولا يجرمنكم شنآن قوم على ألا تعدلوا .

বঙ্গানুবাদঃ কোন সম্প্রদায়ের প্রতি বিদ্বেষ তোমাদের কখনো যেন সুবিচার বর্জনে প্ররোচিত না করে ।

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস ( রা . ) হতে বর্ণিত হাদীসে রাসূল ( স . ) বলেন- যে ব্যক্তি কোন মুসলিম ব্যক্তির দোষ গোপন রাখল , আল্লাহ তায়ালা ( দুনিয়া ) ও আখেরাতে তার দোষ গোপন রাখবেন । ( সহীহ বোখারী ) 

           কোনো ব্যক্তির দোষ এমন পর্যায় হয় যে , সমাজ ও রাষ্ট্রের ক্ষতি হয় , তখন তা উন্মুক্ত করে তার আসল চরিত্র প্রকাশ করে দেয়াই উত্তম হবে । যাতে সে আর মানুষের ক্ষতি করতে না পারে ।পাকি আসলে সাংবাদিকতা ইসলামের দাওয়াতী কার্যক্রমেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ । আর তা কিছুতেই নির্দিষ্ট জন গোষ্ঠির জন্য সীমাবদ্ধ নয় ।

আল্লাহ তাআলা বলেন ,

قل ياأيها الناس إني رسول الله إليكم جميعا 

বঙ্গানুবাদঃ তুমি বলো , হে মানব সমাজ ! নিশ্চয়ই আমি তোমাদের সবার কাছে আল্লাহর রাসূল । 

(সূরা আরাফ- ১৫৮ ) 

সাংবাদিকগণ সব ধর্ম , বর্ণ , জাতি গোত্র শ্রেণী , পেশা মানুষকে নিয়েই নিরপেক্ষ সংবাদ প্রচার করতে হবে । বিশেষ কোন ব্যক্তি বা সম্প্রদায়কে অন্যদের উপর প্রধান্য দেয়ার সুযোগ নেই । ইহা ইসলাম সমর্থন করে না । আবার কোন শক্তির কাছে মাথানত না করে ভয় শূন্য চিত্তে সংবাদ পরিবেশন করাই ইসলামের দাবি । রাসূল (স ) বলেন , “ অত্যাচারী শাসকের সামনে সত্য উচ্চারণ করাই উত্তম জিহাদ । ” 

          বর্তমান প্রেক্ষাপটে যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশী দরকার এবং সবারই কাম্য তা হলো সৎ ও নির্ভীক সাংবাদিকতা । একজন নির্ভীক সাংবাদিকের ক্ষুরধার মসির আঘাতে ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায় মাকড়সার জালের মতো অত্যাচারী শাসক নীল নক্শা । কারন একজন সৎ নিষ্ঠাবান নির্ভীক সাংবাদিকের ধারালো কলমের ফলা শানিত তরবারির চেয়েও অধিক ক্ষমতাধর ও প্রলংকারী । মুলত সত্য প্রকাশে আপোসহীনতা একজন আদর্শ সাংবাদিকের অন্যতম কর্তব্য । সাংবাদিকরা নতজানু হয়ে কাজ করলে গন মাধ্যমের কার্যকারীতাই প্রশ্ন বিদ্ধ হয়ে পরে । আর তাই ইসলাম সাংবাদিকদের সত্য বলার অধিকার আরো সুপতিষ্ঠিত করেছে । 

          একজন সাংবাদিক সর্বদা সত্য ও সততার প্রতি একনিষ্ঠ থাকতে হবে । সব ধরণের নেতিবাচক মনোভাব ও চিন্তা চেতনা এড়িয়ে ইতিবাচক মনোভাব ও চিন্তাচেতনাকে অগ্রাধিকার দিবেন । যেহেতু আল্লাহ পাক সাংবাদিকদের মেধা দিয়েছেন , যোগ্যতা দিয়েছেন লেখার , নতুন নতুন অনবদ্য রচনা ও গঠনমূলক লেখা সৃষ্টি করতে পারেন , তাই তাদেরকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে , তাদেরকে প্রদত্ত এই যোগ্যতা মহান আল্লাহ পাকের এক অনন্য নিয়মত । এটি একটি আমানত বিশেষ । 

           সংবাদ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করা যায় না । ইসলামে মিথ্যার কোন স্থান নেই । সুতরাং একজন আদর্শ সাংবাদিককে সমাজ ও রাষ্ট্রের রন্দ্রে রন্দ্রে জেঁকে বসা দুর্নীতি , স্বজন প্রীতি , অন্যায় অত্যচার , অনৈতিক ও অসমাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে । মিথ্যা ও পাপাচারের বিরুদ্ধে কলম ধরতে হবে । অসৎ ও অধর্মের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামের বজ্রকঠিন শপথ নিতে হবে ।

        আজও সাংবাদিকের প্রতি মানুষ আস্থাবান রয়েছে।কোথাও কিছু ঘটলে জানার জন্য সংবাদ মাধ্যমের অপেক্ষায় থাকে।সমাজের অধিকার বঞ্চিত ও অসহায় জনতা কলম সৈনিকদের প্রতি নির্বাক নেত্রে চেয়ে আছে । এখনো তাদের মনে বিশ্বাস রেখে ঢাকা সূর্যটা উদয়ের পথে , আলো ছড়াবে দিক দিগন্তে।         

        বর্তমান বিশ্বে জাতীয় দৈনিক পত্রিকাসহ  সাপ্তাহিক , পাক্ষিক , ত্রৈমাসিক ও বার্ষিক পত্রিকা রয়েছে প্রচুর । এগুলোর মধ্যে শত শত সংবাদ কর্মী কাজ করে দিবা - রাত্রে । তাদের সব সময় মনে রাখতে হবে- সংবাদপত্র কর্মীদের যাত্রা বাহুবলে নয় , বিদ্যা বা জ্ঞান বলে । অসি বলে নয় , মসি বলে । মসি ও বিদ্যা নামক সাংবাদিকদের সেই ক্ষুদ্ধ শক্তি আবার ফেনিল সমুদ্রের তরঙ্গের মতে উদ্বেলিত হোক । শুধু সত্যের ও ন্যায় নিষ্ঠার জন্য এবং আম জনতা ও দেশ এবং জাতির মঙ্গলের জন্য । এমনি সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের প্রত্যাশায় সম্পূর্ণ আল্লাহর উপর ভরসা করে সাহসের সঙ্গে , নি:সকোচে নি:স্বার্থভাবে , ভয় ভীতির উর্ধ্বে থেকে যখন কলম সৈনিকেরা অস্ত্র চালনা করতে থাকবেন , তখন কোনও রক্তচক্ষু কিংবা প্রলোভন নির্ভীক সাংবাদিকতার অগ্র যাত্রাকে রুখতে পারবেনা কেউ । 

        সাংবাদিকগণ সমাজ ও রাষ্ট্রের স্বচ্ছ আয়না স্বরূপ।সমাজ ও দেশের যত অত্যাচার , অনাচার , অবিচার , অবৈধ কার্যাদি প্রকাশ করা তাদের ঈমানি দায়িত্ব । বড় আদালত হল ঈমানের আলোয় আলোকিত সাংবাদিকগণের বিবেক । তাই ঈমানি দায়িত্ব পালনে ইসলামের দৃষ্টিতে সাংবাদিক সকলের আরো সচেতন ও দায়িত্ববান হতে হবে ।